বিজ্ঞাপন

হাড়ক্ষয়ের কারণ

বয়স বৃদ্ধি, জিনগত ত্রুটি, অস্ত্রোপচারের কারণে ডিম্বাশয় না থাকা, হাইপোগোনাডিজম, অতি খর্বাকৃতি ইত্যাদি কারণে হাড়ক্ষয় হতে পারে।

ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি, ধূমপান, অপুষ্টি (ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন এ, কে ইত্যাদির ঘাটতি), ক্ষীণকায় দৈহিক আকার, আমিষনির্ভর খাদ্যাভ্যাস, বেশি বয়সেও অতিরিক্ত চা–কফি ও চকোলেট খাওয়ার অভ্যাস, খাবারে বা বাতাসে ভারী ধাতব দূষণ, কোমল পানীয় ও মদ্যপানের কারণেও হাড়ক্ষয় হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে হাড়ক্ষয় প্রতিরোধ সম্ভব।

উপসর্গ

অস্টিওপোরোসিসের কোনো শারীরিক লক্ষণ না–ও থাকতে পারে। তবে কোমরে, পিঠে বা অন্য কোথাও ব্যথা, বিশেষ করে তা ব্যথানাশকেও না কমলে সচেতন হতে হবে। কারও কারও শারীরিক উচ্চতা কমে যায়, কুঁজো হয়ে যাওয়া বা সামনে ঝুঁকে থাকার সমস্যা দেখা দেয়। এতে মেরদণ্ডের হাড়ে ফাটল বা চিড় ধরতে পারে, ঠুনকো আঘাতেও হাড় ভেঙে যেতে পারে।

চিকিৎসা

হাড়ক্ষয় শনাক্ত ও এর ধরন সম্পর্কে বুঝতে অনেক রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার হতে পারে। হাড়ক্ষয় (অস্টিওপরোসস) একবার হলে সারিয়ে তোলা কঠিন। হাড় ভাঙলে তো কথাই নেই। তাই এ সমস্যাকে আগেভাগেই রোধ করার জাতীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচি নিতে হবে। এর অংশ হিসেবে কারা কতটুকু ঝুঁকিতে আছেন বা কারা ইতিমধ্যে হাড় ক্ষয়ে ভুগছেন, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে ফিটনেস রক্ষা, স্টেরয়েডসহ ক্ষতিকারক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকা, প্রয়োজনে পরিমিত ক্যালসিয়াম সেবনের মাধ্যমে হাড়ক্ষয় রোগ প্রতিরোধ করা যায়।